1. talash@talashprotidin24.com : Talash 1 : Talash 1
  2. iveerahaman@gmail.com : talash protidin : talash protidin
  3. talashprotidin2019@gmail.com : talashadmin :
শনিবার, ৩০ মে ২০২০, ০৫:৩৮ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে...আগ্রহীরা সিভি/বায়োডাটাসহ জীবনবৃত্তান্ত পাঠান :  talashprotidin2019@gmail.com/ chowdhuryshamim2018@gmail.com মোবাইল : ০১৭১১২০২৫১৯, ০১৩১৬৩৮৩৩১৮

করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রাণহারালেন এস, আলম গ্রুপের অন্যতম পরিচালক মোরশেদুল আলম।

তালাশ প্রতিদিন প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : শনিবার, ২৩ মে, ২০২০
  • ২৫ বার দেখা হয়েছে

শোক সংবাদ
==========
করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন
এস আলম গ্রুপের অন্যতম পরিচালক মোরশেদুল আলম।

দেশের শীর্ষ স্থানীয় ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান এস আলম গ্রুপ-এর চেয়ারম্যান সাইফুল আলম মাসুদের বড় ভাই এস আলম গ্রুপ-এর অন্যতম পরিচালক মোরশেদুল আলম আজ করোনা আক্রান্ত হয়ে চট্টগ্রামস্থ আন্দরকিল্লা জেনারেল হাসপাতালের আইসিউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন।(ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজেউন)
মৃত্যুকালে মোরশেদুল আলমের বয়স হয়েছিল ৭০ বছর। তিনি স্ত্রী ও তিন সন্তান রেখে গেছেন। ব্যক্তিগত জীবনে অত্যন্ত সজ্জন, সদালাপী, দানশীল ভ্যাত্তিছিলেন, মোরশেদুল আলম এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক ও এস আলম গ্রুপের পরিচালক (বিপণন) ছিলেন।
গত রোববার (১৭ মে) দেশের অর্থনীতির সমৃদ্ধিতে বৃহত্তর পরিসরে অবদান রাখা এই পরিবারের অন্যতম সদস্য পরিচালক মোরশেদুল আলমসহ তার ৫ ভাই ও এক ভাইয়ের স্ত্রীর করোনা ভাইরাসের নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসে।

অন্যান্য যারা আক্রান্ত হয়েছেন, তারা হলেন এস আলম গ্রুপের পরিচালক রাশেদুল আলম (৬০), এস আলম গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান আবদুস সামাদ লাবু (৫৩), ইউনিয়ন ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও এস আলম গ্রুপের পরিচালক মোহাম্মদ শহীদুল আলম (৪৮) এবং এস আলম গ্রুপের পরিচালক ওসমান গণি (৪৫) এবং তাদের এক ভাইয়ের স্ত্রী। অথচ সরকারের সাধারণ ছুটি ঘোষণার পর থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঘরেই অবস্থান করছিলেন তারা। ঘর থেকে বের না হওয়ার পরও করোনায় আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি উদ্বেগের।

এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান সাইফুল আলম মাসুদের পরিবারের সাত ভাই সবাই নিজেদের পরিবার নিয়েই থাকেন চট্টগ্রাম নগরীর পাঁচলাইশ থানার সুগন্ধা আবাসিকের ৭তলা নিজস্ব ভবনে। এখনো তারা একান্নবর্তী পরিবারের ঐতিহ্য ধরে রেখেছেন সবাই মিলে।

এই পরিবারের খাবার রান্না হয় এক রান্নাঘরের একই হাঁড়িতে। পরিবারের সদস্য সংখ্যা ৩০ জনের বেশি। করোনা পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঘরে থাকা এই পরিবারের সদস্যদের করোনা আক্রান্ত হওয়া নিয়ে হিসেব মিলাতে পারছেন না পরিবারের অন্য সদস্যরাসহ অনেকেই।জানা গেছে, তাঁদের কারো শরীরে জ্বর বা অন্য কোন উপসর্গও ছিলো না। একসাথে করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর সবাই পৃথক পৃথক বাড়িতে আইসোলেশনে ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন:

আপনার মতামত নিচে কমেন্টস করুন

এই ক্যাটাগরীর অন্যান্য সংবাদ সমূহ