1. talash@talashprotidin24.com : Talash 1 : Talash 1
  2. iveerahaman@gmail.com : talash protidin : talash protidin
  3. talashprotidin2019@gmail.com : talashadmin :
সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২০, ০৩:৪২ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে...আগ্রহীরা সিভি/বায়োডাটাসহ জীবনবৃত্তান্ত পাঠান :  talashprotidin2019@gmail.com/ chowdhuryshamim2018@gmail.com মোবাইল : ০১৭১১২০২৫১৯, ০১৩১৬৩৮৩৩১৮
সংবাদ শিরোনাম :
মঙ্গলবার থেকে সংসদ টেলিভিশনে শুরু হচ্ছে প্রাথমিকের ক্লাস কোভিড-১৯ মোকাবিলায় ৭২,৭৫০ কোটি টাকার প্যাকেজ ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী ভিক্ষুক থেকে শিল্পপতি সবাই আছেন প্রধানমন্ত্রীর প্যাকেজে : তথ্যমন্ত্রী বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী নির্দেশনায় তারাব পৌর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে তারাব পৌরসভার ৬নং ওর্য়াড স্বেচ্ছাসেবক লীগের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ নোভেল করোনা ভাইরাস নিয়ে ফেসবুক গুজব ছড়ানোর অভিযোগে রংপুর মেট্রোপলিটন ডিবি পুলিশ ৫ জনকে গ্রেফতার করছেন। রংপুর সিটি কপোরেশনে (রসিক)এলাকার ১৫টি স্থানে ১০টাকা কেজি দরে চাল আটা বিক্রি করছেন। করোনায় ঝুঁকি বাড়িয়ে কর্মস্থলে ছুটছে মানুষ দেশে আরো ৯ জন করোনায় আক্রান্ত শবে বরাতের নামাজ ঘরে আদায়ের অনুরোধ ইসলামিক ফাউন্ডেশনের একমাসের লকডাউনে সিঙ্গাপুর

২২ মার্চ ২০২০ রবিবার বেলা ১২ টায় শ্রমিক অধিকার আন্দোলন ও নিপীড়ণ বিরোধী নারীমঞ্চের উদ্যোগে জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি 

তালাশ প্রতিদিন প্রতিবেক=;
  • আপডেট সময় : রবিবার, ২২ মার্চ, ২০২০
  • ৬১ বার দেখা হয়েছে
আবু সাহান মো: সেলিম, রংপুর:
অনাকাঙ্খিত ভয়াবহ পরিস্থিতির উদ্ভব হওয়ার আগেই করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে চিকিৎসা,খাদ্যসহ সার্বিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করে অনতিবিলম্বে অন্তত ১৫ দিনের জন্য রংপুরকে লকডাউন ঘোষণার দাবি জানানো হয়েছে।
২২ মার্চ ২০২০ রবিবার বেলা ১২ টায় শ্রমিক অধিকার আন্দোলন ও নিপীড়ণ বিরোধী নারীমঞ্চের উদ্যোগে জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি০ পেশের মাধ্যমে এই দাবি জানানো হয়।
জেলা প্রশাসকের পক্ষে স্মারকলিপি গ্রহণ করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(শিক্ষা ও আইসিটি) শুকরিয়া পারভীন।
শ্রমিক অধিকার আন্দোলনের আহবায়ক পলাশ কান্তি নাগে নেতৃত্বে স্মারকলিপি প্রদানকালে প্রতিনিধি দলে  উপস্থিত ছিলেন শ্রমিক অধিকার আন্দোলনের সদস্য সচিব সুভাষ রায়,নিপীড়ণ বিরোধী নারীমঞ্চের সদস্য সচিব সানজিদা আক্তার,সদস্য পারভীন আক্তার,সাংস্কৃতিক কর্মী নাসির উদ্দিন সুমন,স্বপন রায় ও সাংবাদিক সাইফুল্ল্যাহ খাঁন স্বারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়-
করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) আক্রান্ত ১৮৫ দেশের মধ্যে দ্রুত সংক্রমণের ঝুঁকিতে থাকা ২৫ টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। সারা বিশ্বেই করোনা ভাইরাসজনিত কোভিড-১৯ রোগ মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়ছে এবং আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে।
বাংলাদেশেও সরকারী ভাষ্য অনুসারে এখন পর্যন্ত ২৪ জন করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তি সনাক্ত হয়েছে এবং ২ জন মারা গিয়েছেন।  চীনে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ছড়িয়ে পড়ার পর আমরা যথেষ্ট সময় পেয়েছি যথাযথ প্রস্তুতি নেওয়ার। কিন্তু প্রথম থেকেই  সরকার করোনা ভাইরাস মোকাবেলাকে গুরুত্ব দেয়নি।
সরকারের মন্ত্রীরা ‘যথেষ্ট প্রস্তুতি আছে’, ’প্রস্তুতির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এগিয়ে আছে’ ইত্যাদি বাগাড়ম্বর ও মিথ্যাচার করেছে। এখন মানুষের কাছে স্পষ্ট – প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেয়া হয়নি। গণসচেতনতা বৃদ্ধি ও সতর্কীকরণের ওপর যত জোর দেয়া হচ্ছে, সে তুলনায় সম্ভাব্য রোগাক্রান্ত প্রত্যেকের বিনামূল্যে পরীক্ষা, রোগ নিরূপণ ও চিকিৎসার জন্য সরকারি পদক্ষেপ প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। গত এক মাসে প্রায় চার লাখ নব্বই হাজারের মতো প্রবাসী দেশে ফিরলেও, বেশিরভাগই পরীক্ষার বাইরে থেকে গিয়েছেন। বিদেশফেরতদের হোম কোয়ারেন্টিনে থাকার কথা বলা হলেও, তা নিশ্চিত করার সরকারী উদ্যোগ ছিল না। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলেছে, করোনা মহামারির প্রকোপ কমিয়ে আনতে সন্দেহভাজন রোগীদের পরীক্ষা ও আক্রান্তদের আইসোলেশনে নেয়ার কোন বিকল্প নেই। অথচ ঢাকায় একটি কেন্দ্র ছাড়া আর কোন জেলাতেই করোনা ভাইরাস পরীক্ষার ব্যবস্থা নেই, ১৬ কোটি মানুষের জন্য সরকারের হাতে মাত্র ১৭৩২ টি কিট আছে।  হাসপাতালগুলোতে ডাক্তার, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও নিরাপত্তা সরঞ্জাম প্রদান করা হয়নি। ফলে আতঙ্ক ও সমন্বয়হীনতার কারণে সম্ভাব্য রোগীদের সরকারী-বেসরকারী কোনো হাসপাতালে ভর্তি বা চিকিৎসা করা হচ্ছে না এবং দীর্ঘসূত্রিতার কারণে মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে। ব্যাপক আকারে সংক্রমণ দেখা দিলে প্রয়োজনীয় ভেন্টিলেশন যন্ত্র, রোগী বহনের জন্য বিশেষ এ্যাম্বুলেন্স, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত জনবল; কোনো এলাকা বা পুরো শহর কোয়ারেন্টিন বা ‘লক ডাউন’ করতে হলে তার ব্যবস্থাপনা-চিকিৎসা-খাদ্য সরবরাহ ইত্যাদি জরুরী বিষয় কীভাবে  মোকাবেলা করা হবে, সে বিষয়ে জনগণকে আশ্বস্ত করার মতো প্রস্তুতি ও পরিকল্পনা সরকারের নেই। বরং সরকারের সমস্ত মনোযোগ নিবদ্ধ মুজিববর্ষ পালনের নামে শত শত কোটি টাকার আলোকসজ্জা ও আতশবাজির উৎসবের দিকে। জনমনে আতংকের সুযোগে ব্যবসায়ীরা মাস্ক, স্যানিটাইজারসহ নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের মূল্যবৃদ্ধি ঘটিয়ে মুনাফা লুটছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করলেও, কারখানা-অফিস-কর্মক্ষেত্র-শপিং মল ও জনসমাগমের স্থানগুলো সবই চালু আছে। এসব জায়গায় সাবান-মাস্ক-হ্যান্ড স্যানিটাইজারসহ প্রতিরোধমূলক ও জীবাণুমুক্তকরণ ব্যবস্থা যথেষ্ট দেখা যাচ্ছে না।
আমরা শংকিত – ঘনবসতিপূর্ণ এই দেশে সংক্রমণ প্রতিরোধে যথেষ্ট ব্যবস্থা নেয়া না হলে করোনা ভাইরাস আক্রান্ত হয়ে বহু মানুষের প্রাণ যেতে পারে।
সারাদেশের ন্যায় রংপুর জেলার চিত্র ভিন্ন নয়। গত ১৯ মার্চ ২০২০ রংপুর জেলা প্রশাসনের তরফ থেকে জনসমাগম বন্ধে গণবিজ্ঞতি জারির উদ্যোগকে আমরা স্বাগত জানাই। এখানে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও দর্শনীয় স্থানগুলো বন্ধ এবং রাজনৈতিক-সামাজিক-সাংস্কৃতিক-ধর্মীয় অনুষ্ঠানে জনসমাগম নিষিদ্ধ করা হলেও অফিস-আদালত-বাজারঘাটে স্বাভাবিক সময়ের মতই লোক সমাগম রয়েছে। এ অবস্থায় করোনা ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি সবচাইতে বেশী। চীন শক্তিশালী চিকিৎসা ব্যবস্থার পাশাপাশি লক ডাউন পদ্ধতির কারণে খানিকটা সংক্রমণ কমাতে পেরেছে। পৃথিবীর বহু দেশকে দেখা যাচ্ছে, জরুরী প্রয়োজন ছাড়া মানুষের ঘরের বাহিরে চলাচল নিষিদ্ধ করেছে। ফার্মেসি, জরুরী খাদ্য সামগ্রীর দোকান,চিকিৎসা কেন্দ্র ও পরিসেবামুলক প্রতিষ্ঠান ছাড়া সবই বন্ধ রয়েছে। ইতিমধ্যে আমাদের দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে লক ডাউন ঘোষণা করা হয়েছে।  করোনা সনাক্তকরণ কেন্দ্র,আক্রান্ত হলে চিকিৎসার আয়োজনের পাশাপাশি রংপুর জেলাকে লক ডাউন ঘোষণা জরুরী হয়ে পড়েছে।স্মারকলিপিতে,চিকিৎসা,খাদ্যসহ সার্বিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করে অনতিবিলম্বে অন্ততপক্ষে ১৫ দিনের জন্য রংপুর জেলাকে লক ডাউন ঘোষণা,রংপুর জেলা সদরে করোনা সনাক্তকরণ কেন্দ্র ও বিনামূল্যে পরীক্ষার ব্যবস্থা,ডাক্তার,নার্স,স্বাস্থ্য কর্মীদের পর্যাপ্ত নিরাপত্তা সরন্জাম ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা,রংপুর মেডিকেল, সদর হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করোনা আক্রান্তদের জন্য আলাদা ইউনিট চালু করে চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত,গরীব মানুষের মাঝে বিনামূল্য সাবান-মাস্ক-হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরণ, সাবান-মাস্ক-হ্যান্ড স্যানিটাইজারসহ  নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের কালোবাজারী,মজুতদারি ও মূল্যবৃদ্ধি রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ,নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য বিশেষ ভাতা ও রেশনের ব্যবস্থা,দূর্যোগকালীন সময়ে এনজিও এবং মহাজনী ঋণের কিস্তি আদায় বন্ধ,জেলা ও উপজেলায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক মনিটরিং সেল এবং সচেতনতা ও সতর্কতা বৃদ্ধির জন্য ব্যাপক প্রচারাভিযানের উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানানো হয়।
এছাড়াও রংপুরের সিভিল সার্জন ডাঃ হিরম্ব কুমার রায়ের নিকটও পৃথক স্মারকলিপি পেশ করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন:
এই ক্যাটাগরীর অন্যান্য সংবাদ সমূহ